রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
Logo রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক একীভূতকরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন Logo যত ক্ষমতাধরই হোক রাজশাহীতে দুর্নীতিবাজকে প্রতিরোধ করা হবে Logo বদলী করায় কারারক্ষীর রোষানলে উর্ধতন কর্মকর্তারা, হয়রানিসহ মিথ্যাচারের অভিযোগ Logo প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণা , লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রাহী ইসলাম নামক এক নারীর বিরুদ্ধে।। Logo তানোর পৌরসভায় কর আদায়কারী মনিরুলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ Logo চারঘাটে ফেন্সিডিলসহ ডিবি’র হাতে বাবা-ছেলে আটক,টাকার বিনিময়ে ছাড়া পেলো ছেলে Logo ইউসেপ রাজশাহী কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২০২৪ Logo নাটোরে দই ও বেকারি কারখানায় বিএসটিআইয়ের মামলা দায়ের, ২০,০০০/- জরিমানা। Logo যুবলীগের সাবেক সভাপতি’র নেতৃত্বে কামারুজ্জামান হেনার ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে খাবার বিতরণ Logo রাজশাহীতে গৃহবধূকে হত্যা করে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

ঢাকা-টেকনাফের বাস চালানোর আড়ালে আইসের কারবার

রিপোর্টার: / ১৮৯ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

বাস চালানোর আড়ালে জাহাঙ্গীর আলম ভয়ংকর মাদক ক্রিস্টাল মেথ (আইস) কারবারের জন্য একটি চক্র গড়ে তোলেন। চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে আইস এনে ঢাকার অভিজাত এলাকায় বিক্রি করতেন। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর সায়েদাবাদ হাজী বোরহান উদ্দিন টাওয়ার-সংলগ্ন বেসরকারি আল কারিম হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে জাহাঙ্গীর ও তাঁর সহযোগী মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তাঁদের দেহ তল্লাশি করে ১ কেজি ৭০০ গ্রাম আইস জব্দ করা হয়।

অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোর গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক আল আমিন বলেন, জাহাঙ্গীর আলম সেন্ট মার্টিন পরিবহন নামের একটি বাস চালাতেন। মূলত বাস চালানোর আড়ালে তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ঢাকায় মাদক নিয়ে আসতেন। জাহাঙ্গীর ২০১৫ সাল থেকে ইয়াবা এবং ২০২০ সাল থেকে আইস কারবারে জড়িত। আগে টেকনাফ সীমান্ত থেকে ইয়াবা-আইস ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতেন। পরে নিজেই টেকনাফ থেকে ইয়াবা ও আইস ঢাকায় এনে বিক্রির জন্য একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তোলেন। ইয়াবা থেকে আইসের বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় আইস পাচার ও বিক্রির জন্য আলাদা চক্র গড়ে তোলেন তিনি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা আল আমিন বলেন, গ্রেপ্তার মেহেদী এসব মাদক সরাসরি সেবনকারীদের কাছে পৌঁছে দিতেন। এর আগে জাহাঙ্গীর মাদক কারবারে জড়িত অভিযোগে চারবার গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। আটক করা আইসের বাজারমূল্য প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত। প্রতি গ্রামের দাম পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আল আমিন বলেন, আইস মূলত উচ্চমূল্যের মাদক। এ কারণে অভিজাত এলাকার ক্রেতারাই এটি বেশি সেবন করেন। আইস ঢাকার ভেতরেই বেশি ব্যবহৃত হয়। গ্রাম বা মফস্‌সলে এখনো এর বিস্তার ঘটেনি। তবে এ ধরনের মাদক যেন সারা দেশে মাদক কারবারিরা পাচার বা বিক্রি করতে না পারেন, সে জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র: প্রথম আলো


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
Design & Developed by : Ecare Solutions